ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এরশাদ উল্যাহ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার এড়ানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ও নানা কৌশল কাজে লাগিয়ে পুলিশ প্রথমে ছিদ্দিক হাওলাদারকে (৪০) চিহ্নিত করে। গ্রেপ্তারের পর তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে ওই শিশুকে তার বড় বোন বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে দেয়। ওই অটোরিকশায় আগে থেকেই প্রথম শ্রেণির আরও একটি শিশু উপস্থিত ছিল। বৃষ্টির মধ্যে কিছু দূর যাওয়ার পর নির্জন স্থানে অটোরিকশাটি থামিয়ে চালক দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশুটির চিৎকার শুনে কাছাকাছি থাকা একটি মুরগির খামারের মালিক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চালক দ্রুত দুই শিশুকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পালিয়ে যান। পরে ওই শিশু বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। এ সময় শিশুটির পরনে থাকা পোশাকে রক্ত দেখা যায়। শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দিয়ে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠান।
শুক্রবার শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। পুলিশ তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।




