ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সুদানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় সুদান থেকে সোনা আমদানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সুদানে পারদ ও সায়ানাইড রপ্তানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই রাসায়নিক দুটি সুদানের সোনা খনিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সোনা উত্তোলন প্রক্রিয়ায় পারদ ও সায়ানাইড অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত হলেও এগুলো পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ইইউর ধারণা, সুদানের চলমান গৃহযুদ্ধে অর্থায়নের একটি বড় উৎস হলো এ দেশটির সোনা খনি খাত। বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও যুদ্ধরত পক্ষ সোনা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। সোনা আমদানি নিষিদ্ধ করে ইইউ সেই অর্থপ্রবাহ বন্ধ করতে চায়। অন্যদিকে, পারদ ও সায়ানাইডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে খনি খাতের উৎপাদন ব্যাহত করা এবং পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ করাও এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য। ইইউর এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তবে সংগঠনটির আশা, এই পদক্ষেপ সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে এবং দেশটির অর্থনীতিতে বৈধ খাতগুলোর গুরুত্ব বাড়াবে। একইসঙ্গে, পারদ ও সায়ানাইডের ব্যবহার নিষিদ্ধের মাধ্যমে সুদানের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায়ও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে ইইউ।
সুদান থেকে সোনা আমদানি নিষিদ্ধ করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন
যুদ্ধে অর্থায়ন বন্ধের লক্ষ্যে সুদান থেকে সোনা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। পাশাপাশি, খনিতে ব্যবহৃত পারদ ও সায়ানাইডের রপ্তানিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ সুদানের গৃহযুদ্ধে অর্থায়নকারী সোনা খাতকে লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে।



