পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর থানাধীন ধপধপি এলাকায় এক ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রোববার সকালে শিশুটির বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে পড়েন। তারা শিয়ালদহ-নামখানা রুটের রেলপথ ও জাতীয় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে। উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভের সময় জনতা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ধরে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। আইজি শঙ্কর প্রসাদ বারুই মাইকে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দেন। তিনি জানান, কোনো অপরাধী পার পাবে না। পুলিশ ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার তদন্তে বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে শিশুটি সূর্যপুর হাটে খাবার কিনতে গেলে চার যুবক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। পরিবার নিখোঁজ মামলা করলেও পুলিশ সে সময় শিশুর সন্ধান পায়নি। রোববার মরদেহ উদ্ধারের পর ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিহত শিশুর বাবার সাথে কথা বলেছেন এবং মঙ্গলবার কলকাতার ভবানী ভবনে তার সাথে সাক্ষাৎ করার কথা জানিয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করেন, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় বাসিন্দারা সূর্যপুরহাট এলাকায় সড়ক ও ভবনের ছাদে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজনের মৃত্যু
পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার পর বিক্ষোভে উত্তাল এলাকা। জনতার গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত। পুলিশ ছয় সদস্যের তদন্ত দল গঠন করেছে।




