মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, মুদ্রাবাজারে জাপানের হস্তক্ষেপের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। দেশটির কাছে থাকা প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইয়েনের দর ধরে রাখতে আরও কয়েক দফা বড় মাত্রার পদক্ষেপ নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ দেবে।
গত মাসে জাপান সরকার ইয়েনের পতন রোধে যে পরিমাণ মুদ্রা কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল, সেই একই মাত্রায় আরও অন্তত দুটি হস্তক্ষেপ চালানোর মতো অর্থ মজুত রয়েছে দেশটির। গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকরা এই মন্তব্য করেছেন।
জাপানের মুদ্রা ইয়েন ডলারের বিপরীতে গত কয়েক মাস ধরে দুর্বল হচ্ছে। এই পতন ঠেকাতে জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় গত মাসে বাজারে হস্তক্ষেপ করে। ওই পদক্ষেপে ইয়েনের দর সাময়িকভাবে কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছিল।
তবে বাজারের বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, হস্তক্ষেপের এই কৌশল দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। কারণ, বিশ্ববাজারে ডলারের শক্তি এবং জাপানের সুদের হার অন্যান্য উন্নত অর্থনীতির তুলনায় কম থাকায় ইয়েনের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকস অবশ্য বলছে, জাপানের রিজার্ভের পরিমাণ এতটাই বড় যে, প্রয়োজন হলে তারা আরও কয়েক দফা বড় হস্তক্ষেপ চালাতে পারবে। এই মন্তব্য জাপানের মুদ্রা নীতির পক্ষে একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শুধু রিজার্ভের অর্থ দিয়েই মুদ্রার দর দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য অর্থনৈতিক নীতি ও বৈশ্বিক বাজারের গতিপ্রকৃতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।




