বিশ্বকাপের মাঠে কেবল ফুটবলাররাই নন, বড় বড় বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোরও নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলে। তবে সব ব্র্যান্ডই ফিফার আনুষ্ঠানিক স্পনসর নয়। ফিফা স্পনসরশিপের বাইরে থেকেও বিশ্বকাপের মাঠে নিজেদের ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি গড়ে তোলার কৌশল নিচ্ছে এই ব্র্যান্ডগুলো। খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা ভোক্তাদের কাছে পরিচয়, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করছে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে ক্রিয়েটর ইকোসিস্টেম এই ব্র্যান্ডগুলোর জন্য বিশ্বকাপের মাঠে মাইন্ডশেয়ার ক্যাপচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও বিষয়বস্তু নির্মাতারা নিজেদের মাধ্যমে বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এই কৌশলে ব্র্যান্ডগুলো সরাসরি বিজ্ঞাপন বা স্পনসরশিপের বদলে ক্রিয়েটরদের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আবেগ ও উন্মাদনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। ফলে বিশ্বকাপের সময় ভোক্তাদের মধ্যে ব্র্যান্ডগুলোর প্রতি আগ্রহ ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। ফিফার আনুষ্ঠানিক স্পনসর না হয়েও বিশ্বকাপের আলোচনায় নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছে এসব বিলাসবহুল প্রতিষ্ঠান। এই পদ্ধতি শুধু ব্র্যান্ডের ভাবমূর্তিই উন্নত করছে না, বরং দীর্ঘমেয়াদী গ্রাহক সম্পর্ক গড়ে তুলতেও সহায়তা করছে।
ফিফা স্পনসরশিপ ছাড়াই বিশ্বকাপের মাঠে বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের জয়যাত্রা
বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলো বিশ্বকাপকে নিজেদের পরিচিতি ও আকাঙ্ক্ষা তৈরির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। ক্রিয়েটর ইকোসিস্টেম তাদের ফিফা স্পনসরশিপ ছাড়াই বিশ্বকাপের মানসিক অংশীদারিত্ব দখলে সহায়তা করছে।


