২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে বাংলা বিষয়ের ‘বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশ’ অধ্যায়ের ১৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের ভাষা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, ধর্মীয় উৎসব, পোশাক ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা মূল্যায়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের ভাষা কী, সবাই কোন ভাষায় কথা বলতে পছন্দ করে, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর লোকেরা কোন জেলায় বসবাস করে, রাজশাহী জেলায় সাঁওতালদের আবাস, দিনাজপুরে রাজবংশী সম্প্রদায়ের উপস্থিতি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে গারোদের বসবাস, চাকমা, মারমা, মুরং ও তঞ্চঙ্গ্যা—এসব কোন গোষ্ঠীর নাম। ধর্মীয় উৎসব বিষয়ে মুসলমানদের প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা, হিন্দুদের প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা, খ্রিষ্টানদের বড়দিন এবং রাখাইনদের সাংগ্রাই উৎসব সম্পর্কে প্রশ্ন রাখা হয়েছে।
এছাড়াও বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখ উদযাপন, তাঁতি যারা কাপড় বোনেন তাদের পরিচয়, চাকমা ও মারমা পোশাকের নাম পিনোন ও হাদি, সাঁওতালদের পোশাক পাঞ্চি এবং গারোদের পোশাক দকমান্দা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। আলাদা সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সম্প্রদায়কে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বলা হয়।
উত্তরগুলোর মধ্যে রয়েছে: প্রথম প্রশ্নের উত্তর বাংলা, দ্বিতীয়টির উত্তর মাতৃভাষা, তৃতীয়টির পার্বত্য জেলা, চতুর্থটির রাজশাহী, পঞ্চমটির রাজবংশী, ষষ্ঠটির গারো, সপ্তমটির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, অষ্টমটির ঈদুল ফিতর, নবমটির প্রধান ধর্মীয় উৎসব, দশমটির আরাম, একাদশটির দুর্গাপূজা, দ্বাদশটির বড়দিন, ত্রয়োদশটির পয়লা বৈশাখ, চতুর্দশটির সাংগ্রাই, পঞ্চদশটির তাঁতি, ষোড়শটির চাকমা, সপ্তদশটির সাঁওতাল, অষ্টাদশটির দকমান্দা এবং উনবিংশটির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী।
ঢাকার উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক খন্দকার আতিক এই প্রশ্নোত্তর প্রস্তুত করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে এই উপকরণটি সহায়ক হবে বলে মনে করেন।



