মার্কিন কান্ট্রি সংগীতশিল্পী অ্যারন লুইসের নতুন অ্যালবাম 'গিভ মাই কান্ট্রি ব্যাক' প্রকাশের পর বিলবোর্ডের মূল অ্যালবাম চার্টে জায়গা করে নিতে পারেনি। শুধুমাত্র বিলবোর্ডের টপ অ্যালবাম সেলস চার্টে স্থান পেয়েছে এই অ্যালবামটি। লুইসের ক্যারিয়ারে এটাই প্রথমবার যখন কোনো অ্যালবাম বিলবোর্ড ২০০ চার্টের বাইরে রয়ে গেছে। আগের সব অ্যালবামই এই মূল চার্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। নতুন এই অ্যালবামটি কান্ট্রি ধারার বাইরে গিয়ে কিছু রাজনৈতিক বার্তা বহন করে বলে জানা গেছে। শিরোনাম 'গিভ মাই কান্ট্রি ব্যাক' থেকেই দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাপ স্পষ্ট। তবে চার্টে সাফল্য না পাওয়ায় এটি নিয়ে সংগীত সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অ্যারন লুইস 'স্টেইন্ড' ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও পরিচিত। তিনি একক ক্যারিয়ারেও সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে বর্তমান অ্যালবামের বাণিজ্যিক ব্যর্থতা তার ভক্তদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। টপ অ্যালবাম সেলস চার্টে অ্যালবামটি যেখানে অবস্থান করছে সেটিও এখনো জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিক্রির সংখ্যা আগের অ্যালবামগুলোর তুলনায় অনেক কম। অ্যারন লুইসের গত অ্যালবাম 'দ্য বয়' ২০২২ সালে বিলবোর্ড ২০০-এ ২৩তম স্থান পেয়েছিল। সেই তুলনায় বর্তমান অ্যালবামের অবস্থান অনেক পিছিয়ে। শিল্পী নিজেও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সংগীত বাজারে বর্তমানে তরুণ শিল্পীদের আধিপত্য বেড়ে যাওয়ায় পুরনো ধারার শিল্পীদের জন্য প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে উঠছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অ্যারন লুইসের এই অ্যালবামটি তার ভক্তদের জন্য হলেও সাধারণ শ্রোতাদের মধ্যে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।
বিলবোর্ড ২০০-এ জায়গা পেল না অ্যারন লুইসের নতুন অ্যালবাম
কান্ট্রি সংগীতশিল্পী অ্যারন লুইসের সর্বশেষ অ্যালবাম 'গিভ মাই কান্ট্রি ব্যাক' বিলবোর্ড ২০০ চার্টে স্থান পায়নি। এটি তার প্রথম অ্যালবাম যা এই মূল চার্টে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।




