সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের কিছু স্থিরচিত্র শেয়ার করে আলোচনায় এসেছেন দেশীয় মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। গোলাপি রঙের পোশাক পরিহিত এসব ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘গোলাপি রঙে রাঙা আমি, ভালোবাসায় ভরা মন।’ তিনি কোথায় এই ছবিগুলো তুলেছেন বা এগুলো কোনো প্রকল্পের অংশ কি না—সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
নিয়মিত নিজের ভক্তদের সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ রাখেন মিম। তাঁর এই পোস্টে একাধিক মন্তব্যের পাশাপাশি প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি। একজন ভক্ত সজীব লিখেছেন, ‘আমাদেরও একজন মিম আছেন, যিনি বলিউড–হলিউড, তামিল নায়িকাদের হার মানান।’ অপর ভক্ত রিশা মনি মন্তব্য করে বলেছেন, বর্তমান বাংলাদেশের সেরা নায়িকা তিনিই।
ভ্রমণপ্রিয় মিম দুই মাস আগে চীন সফর করে এসেছেন। তবে তিনি জানান, তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ভ্রমণস্থল ব্যাংকক, যা তাকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
গতানুগতিক ধারায় কাজ করলেও মিমের ব্যস্ততা কম নয়। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর অভিনীত সিনেমা ‘মালিক’। আরিফিন শুভর বিপরীতে তাঁকে দেখা যায় এই ছবিতে। তবে প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে ডিজিটাল মাধ্যম তাকে ভিন্ন পরিচিতি দিয়েছে। চরকিতে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’-এ মিমের অভিনয় নিয়ে দর্শকের আগ্রহ দেখা গেছে। কাজী আসাদ পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর চরিত্রটি প্রশংসিত হয়েছে।
নতুন ছবি বা সিরিজের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও একাধিক পরিচালকের সঙ্গে মিমের কথাবার্তা চলছে বলে শোনা যাচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শমী কায়সার প্রযোজিত সিনেমা ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’-এ মিম অভিনয় করেছেন। এই সিনেমায় তিনি পন্না কায়সারের চরিত্রে এবং মোস্তফা মন্ওয়ার শহীদুল্লা কায়সারের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ওয়াহিদ তারেক পরিচালিত সরকারি অনুদানের এই ছবির শুটিং শেষ হয়েছে ২০২৩ সালে। তবে সেটি এখনো মুক্তি পায়নি।
মিমের ভাষ্যমতে, শমী কায়সার নিজে ফোন করে তাঁকে গল্প শোনান এবং জানান যেন তাঁর মায়ের চরিত্রের জন্য মিমকে ছাড়া কাউকে তিনি দেখছেন না। ছোটবেলা থেকেই শমী কায়সারের ভক্ত মিম চোখ বন্ধ করে রাজি হয়ে যান। শমী কায়সারের অভিনয় ও ব্যক্তিত্বে তিনি গভীরভাবে প্রভাবিত বলেও জানিয়েছেন।


