ডিসি কমিকসের সর্বশেষ প্রযোজনা 'সুপারগার্ল' বক্স অফিসে চরম ব্যর্থতার শিকার হয়েছে। চলচ্চিত্রটি গত ২২ বছরে ডিসির সবচেয়ে কম আয়কারী সিনেমার তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। দীর্ঘদিন ধরে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া 'ক্যাটউম্যান' ডিসির সবচেয়ে বড় বক্স অফিস ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। এখন সুপারগার্ল সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।

কেবল নামের দিক থেকেই নয়, আর্থিক সূচকেও এটি ডিসি সিনেমার ইতিহাসে একটি নিম্নবিন্দু স্পর্শ করেছে। বক্স অফিস পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, প্রদর্শনীর সময়কালে সিনেমাটি যে পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছে, তা ডিসির অন্যান্য চলচ্চিত্রের তুলনায় অনেক কম। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, মুদ্রাস্ফীতির হিসাব সংযুক্ত করলে সুপারগার্লের অবস্থান আরও নিচে নেমে যেতে পারে। এমনকি মুদ্রাস্ফীতি সমন্বয় করলে এটি ডিসির ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ বিনিয়োগে পরিণত হতে পারে।

সুপারগার্ল শুধুমাত্র বক্স অফিসে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়নি, বরং এটি ডিসি সিনেমার ইতিহাসে একটি নিম্নচিহ্ন স্থাপন করেছে। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ক্যাটউম্যান দীর্ঘদিন ডিসির সবচেয়ে বড় বক্স অফিস ব্যর্থতা হিসেবে পরিচিত ছিল। গত ২২ বছরে ডিসি কমিকস থেকে অসংখ্য সিনেমা বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু সুপারগার্ল সেই ধারা ভঙ্গ করে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যর্থ চলচ্চিত্র হিসেবে স্থান পেয়েছে।

বক্স অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সুপারগার্ল তার প্রদর্শনী শেষে ডিসির সাম্প্রতিক যেকোনো চলচ্চিত্রের চেয়ে কম আয় করেছে। বিশেষ করে ক্যাটউম্যানের পর ডিসি আর কোনো সিনেমা এতটা খারাপ ব্যবসা করেনি। মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কারণ বর্তমান ডলারের মূল্যে ক্যাটউম্যানের আয় আরও বেশি দেখা যেত. অন্যদিকে সুপারগার্লের আয় আরও কম বিবেচিত হতো।