বাংলাদেশের টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকালে স্কোয়াডে কিছু পরিবর্তন এসেছে। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাকের আলী ও মুশফিক হাসান—অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট স্কোয়াডের সঙ্গে থাকা এই দুই খেলোয়াড়—এখন দেশে প্রত্যাবর্তন করছেন।
সকালের সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত স্পষ্ট করেন, লিটন দাসের শারীরিক অবস্থা এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কাফ মাসলের চোট থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি ইতিমধ্যে দলের সঙ্গে যুক্ত হলেও প্রস্তুতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি। তা সত্ত্বেও অধিনায়ক নিশ্চিত করেন, লিটনের ফিটনেস নিয়ে কোনো সংশয় নেই এবং তিনি শতভাগ প্রস্তুত। প্রথম টেস্টের প্রাথমিক দলে লিটনের নাম না থাকলেও পুনর্বাসনের ভালো সাড়া পাওয়ায় পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুরোপুরি সেরে ওঠায় তাঁর বিকল্প হিসেবে পাঠানো জাকের আলীর অস্ট্রেলিয়ায় থাকার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। সেই কারণেই জাকের দেশে ফিরে আসছেন।
পেস বোলিং ইউনিটেও পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। শরীফুল ইসলাম চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠেছেন এবং দ্বিতীয় টেস্টের জন্য প্রস্তুত বলে বিসিবি জানিয়েছে। আজ রাতেই তিনি অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে উড়াল দেবেন। এর আগে তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেনের পাশাপাশি পঞ্চম পেসার হিসেবে মুশফিক হাসান অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। কিন্তু একাদশে তাঁর খেলার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম ছিল। শরীফুলের দলে ফিরে আসায় মুশফিকের ভূমিকা আরও সীমিত হয়ে পড়ে। ফলে তিনিও অস্ট্রেলিয়ায় দলের সঙ্গে অবস্থান করছেন না এবং দেশে ফিরছেন।
ফেরত আসা জাকের ও মুশফিকের জন্য নতুন কর্মসূচি অপেক্ষা করছে। আগামী ১৬ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকায় দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দুই দলের মধ্যে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৩ আগস্ট। এই দুটি ম্যাচের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে জাকের ও মুশফিককে।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়।




