প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। একটি উদীয়মান প্রতিষ্ঠান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ক্যাটাপাল্ট পদ্ধতি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এই পদ্ধতি প্রচলিত রকেটের তুলনায় কম খরচে এবং দ্রুত স্যাটেলাইট নিক্ষেপ করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মহাকাশে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সহজ হতে পারে। একই সময়ে, ডেটা সেন্টার থেকে উৎপন্ন তাপকে সার্থকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারগুলো বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে, যা মূলত অপচয় হয়। এই তাপকে বিদ্যুৎ বা উত্তাপনে ব্যবহারের উদ্যোগ প্রযুক্তি ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই লাভজনক হতে পারে। তৃতীয় বিষয়টি হলো মেমরি প্রযুক্তির বিদ্যমান কাঠামো পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা। বর্তমান স্মৃতি প্রযুক্তি দ্রুতগতির তথ্য প্রক্রিয়াকরণের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাই এ ক্ষেত্রে ডিজরাপটিভ সমাধানের আহ্বান জানানো হচ্ছে। স্টার্টআপের এই উদ্যোগ নতুন দিগন্ত খুলতে পারে, তবে এখনও অনেক দিক পরিষ্কার নয়। প্রযুক্তি খাতের এই তিনটি ধারা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।