জার্মানির এক প্যালিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসককে ১৫ জন রোগী হত্যার অপরাধে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় ঘোষণা করে। মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের সেবায় নিয়োজিত এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের মধ্যে ১২ জন নারী ও তিনজন পুরুষকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক এই রায় প্রদান করেন। ঘটনাটি জার্মানির স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নতুন করে নিরাপত্তা প্রশ্ন তুলেছে। প্যালিয়েটিভ কেয়ার সাধারণত অসুস্থতার শেষ পর্যায়ে রোগীদের আরাম ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। কিন্তু সেই সেবার জায়গাটিকেই অপরাধের মাধ্যম বানানোর ঘটনা চিকিৎসা পেশার বিশ্বাসযোগ্যতায় আঘাত হেনেছে। কবে থেকে এই সাজা কার্যকর হবে বা কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আসামি আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন। তবে প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জুরি তাকে অভিযুক্ত সবকটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে। এই রায়ের মাধ্যমে চিকিৎসকদের নৈতিক দায়িত্ব ও রোগীর অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
জার্মান চিকিৎসকের ১৫ রোগী হত্যার দায়ে কারাদণ্ড
জার্মানির এক প্যালিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসক ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ১২ নারী ও ৩ পুরুষ রোগীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালত তাকে কারাদণ্ড দিয়েছে। ঘটনাটি চিকিৎসা মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।




