সিএনবিসির ‘দ্য চায়না কানেকশন’ নিউজলেটারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পুরোনো এবং পরিচিত ঝুঁকির পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দেশটির নীতি-নির্ধারণী পদ্ধতি বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রায়ই হঠাৎ এবং অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়। উদাহরণ হিসেবে ২০১৫ সালে ইউয়ানের আকস্মিক অবমূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোর নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, বেইজিং যখনই কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বা প্রযুক্তিগত নীতি গ্রহণ করে, তা আন্তর্জাতিক বাজারে ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি খাতে বেইজিংয়ের নীতিগত দিকনির্দেশনা বিনিয়োগকারীদের জন্য অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। সিএনবিসির এই বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, চীনের এআই খাতে সাফল্য যেমন দেশটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রমাণ, তেমনি এটি বিনিয়োগকারীদের মনে করিয়ে দেয় যে চীনের বাজারে বিনিয়োগের সঙ্গে রাজনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তার ঝুঁকি জড়িয়ে আছে। এই ঝুঁকি শুধু প্রযুক্তি খাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার একটি বৈশিষ্ট্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এআই খাতে বিনিয়োগ করতে গেলে বিনিয়োগকারীদের এই পুরোনো ঝুঁকি মাথায় রাখা জরুরি, যা অতীতেও বিভিন্ন সময়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
চীনের এআই অগ্রগতি বিনিয়োগকারীদের জন্য পুরোনো ঝুঁকি বহন করছে: সিএনবিসি
সিএনবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে সাফল্য বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ নয়, বরং পুরোনো রাজনৈতিক ও নীতিগত ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০১৫ সালের ইউয়ানের আকস্মিক অবমূল্যায়ন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ—বেইজিংয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত বাইরের দুনিয়ার কাছে প্রায়ই হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত মনে হয়।



