একটি শহর তখনই সত্যিকার অর্থে সমৃদ্ধিশালী হয়, যখন তার প্রতিটি বাসিন্দার জীবনমান উন্নত হয়। এই সরল কিন্তু গভীর ধারণাটি থেকেই এক দশকেরও বেশি সময় আগে যাত্রা শুরু করে ন্যাশভিলহেলথ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যসেবার প্রসার ঘটালেই একটি নগরীকে সুস্থ বলা যায় না। বরং এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক ও সমন্বিত উদ্যোগ। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপদ আবাসন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলোও নাগরিকের সুস্থতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ন্যাশভিলহেলথের যাত্রা শুরুর সময় থেকেই এই বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তাদের মূলমন্ত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শুধু চিকিৎসার গণ্ডিতে আবদ্ধ না রেখে, সামগ্রিক কল্যাণের একটি অংশ হিসেবে দেখতে হবে। তাই নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিভিন্ন খাতে কাজ করার ওপর জোর দিচ্ছে তারা। বিশেষ করে নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক সম্প্রদায়ের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য। ন্যাশভিলহেলথের এই দৃষ্টিভঙ্গি শুধু স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং অন্যান্য শহরের জন্যও একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে। কারণ একটি শহরের প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে তার মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা ও নিরাপত্তার ওপর। শুধু হাসপাতাল বা ক্লিনিক তৈরি করলেই তা সম্ভব নয়, প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণে একটি টেকসই ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলা।
শহরকে সুস্থ করতে শুধু স্বাস্থ্যসেবা যথেষ্ট নয়
ন্যাশভিলহেলথের প্রতিষ্ঠাতার মতে, নগরীর প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন সেখানকার বাসিন্দারা সুস্থ থাকেন। দীর্ঘ এক দশক আগে এই ভাবনা থেকেই যাত্রা শুরু করে সংস্থাটি।




