হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানকে ‘অঘোষিত নৌযুদ্ধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফরচুন সাময়িকী। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। মধ্যমেয়াদী নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, যা ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন বাজার সূচক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী। অন্যদিকে, চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হাইপারস্কেলার কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বিপুল বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে। সরকারি শুল্ক রাজস্ব এখন প্রায় শূন্যের কোটায়, যা বাণিজ্য নীতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, তথাকথিত ‘কে-আকৃতির অর্থনীতি’র ধারা শেষ হতে পারে, যেখানে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য কমতে পারে।

ওয়াল স্ট্রিটে ইন্টার্নশিপের বাজারও চাঙা। মাত্র ১০ সপ্তাহের কাজের জন্য শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ৮৬ হাজার ডলার পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে, যা অর্থনীতির কিছু সেক্টরে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

ঘটনাপ্রবাহের দিকে তাকালে দেখা যায়, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ট্রাম্প আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারেন।