২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার জন্য প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বণ্টন চূড়ান্ত করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য এই পরীক্ষায় চারটি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্ধারিত সময় দুই ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
বাংলা বিষয়ে পূর্ণমান ১০০। এতে কবিতা লিখন, শব্দার্থ, বাক্য গঠন, শূন্যস্থান পূরণ, বহুনির্বাচনি প্রশ্ন, বিপরীত ও সমার্থক শব্দ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, মূলভাব লিখন, ভাষারীতি পরিবর্তন, অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্ন, যুক্তবর্ণ বিভাজন, এককথায় প্রকাশ, ফরম পূরণ ও রচনা—সহ ১৫টি প্রশ্ন থাকবে। প্রশ্নপত্রে জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতামূলক—এই চারটি ডোমেইনের প্রশ্ন রাখা হবে।
ইংরেজি বিষয়েও পূর্ণমান ১০০। পঞ্চম শ্রেণির ‘ইংরেজি ফর টুডে’ পাঠ্যবই থেকে একটি টেক্সট বা ডায়ালগ দেওয়া হবে, যার ভিত্তিতে প্রশ্ন ১, ২ ও ৩ উত্তর দিতে হবে। প্রশ্ন ৪ ও ৫ এর জন্য পাঠ্যবইয়ের বাইরে থেকে টেক্সট দেওয়া হবে। এ ছাড়া Parts of Speech চিহ্নিতকরণ, টেন্স পরিবর্তন, উপসর্গ-প্রত্যয় যোগ, আর্টিকেল ব্যবহার, WH প্রশ্ন তৈরি, শব্দ সাজিয়ে বাক্য গঠন, ক্যাপিটালাইজেশন ও বিরামচিহ্ন, ফরম পূরণ, ক্রিয়ার সঠিক রূপ এবং চিঠি/আবেদনপত্র ও ছোট রচনা লিখতে হবে।
গণিতে পূর্ণমান ১০০। ১০টি বহুনির্বাচনি, ১০টি শূন্যস্থান পূরণ এবং ১৬টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন থাকবে। এরপর আটটি সমস্যা সমাধানের প্রশ্ন থাকবে—প্রত্যেকটির মান আট। এগুলোর মধ্যে রয়েছে চার প্রক্রিয়া, লসাগু ও গসাগু, সাধারণ ও দশমিক ভগ্নাংশ, গড়, শতকরা, পরিমাপ ও ক্ষেত্রফল, জ্যামিতি অঙ্কন ও বৈশিষ্ট্য লিখন এবং উপাত্ত বিন্যস্তকরণ ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত সমস্যা। সমাধান না দেখিয়ে শুধু উত্তর লিখলে কোনো নম্বর দেওয়া হবে না।
প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়—এই দুটি বিষয় একত্রে ১০০ নম্বরের (প্রত্যেকটি ৫০ নম্বর) একটি পত্র হবে, যার সময়সীমা দুই ঘণ্টা ৩০ মিনিট। প্রতিটি বিষয়ে পাঁচটি বহুনির্বাচনি, পাঁচটি শূন্যস্থান পূরণ বা সত্য-মিথ্যা, চারটি মিলকরণ, ছয়টি সংক্ষিপ্ত উত্তর এবং চারটি বিস্তৃত উত্তর প্রশ্ন থাকবে।




