এনবিএ তারকা রাসেল ওয়েস্টব্রুকের পেশাদার ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটেছে। তার উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার খেলোয়াড়ি জীবন ছিল উত্থান-পতনে ভরা। তিনি হল-অব-ফেমে জায়গা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে তার এই দীর্ঘ পথচলা নিছক প্রশংসার নয়, সমালোচনারও মুখোমুখি হয়েছে।

ওয়েস্টব্রুকের ক্যারিয়ার জুড়ে ছিল অসামান্য পরিসংখ্যান। ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি তার খেলার ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার আক্রমণাত্মক মনোভাব ও দাপুটে স্টাইল তাকে ভক্তদের কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। তবুও দলগত সাফল্যের তুলনায় ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ওপর তার অতিরিক্ত জোর দেওয়াকে অনেকে দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

তার খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুটা ছিল অসাধারণ। তবে পরবর্তী সময়ে একাধিক দল বদল তার ক্যারিয়ারে অস্থিরতা তৈরি করে। বিভিন্ন দলে তিনি যে ভূমিকায় অভ্যস্ত ছিলেন, তা বদলে যায়। ফলে সামঞ্জস্য গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন তিনি। এছাড়া তার শট নির্বাচন এবং বল নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিও বারবার সমালোচিত হয়েছে।

তবে অস্বীকার করার উপায় নেই যে, তিনি তার প্রজন্মের অন্যতম প্রভাবশালী খেলোয়াড়। তার অ্যাথলেটিসিজম ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা ছিল অতুলনীয়। এনবিএ ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। হল-অব-ফেমের দরজা তার জন্য উন্মুক্ত। কিন্তু তার এই অর্জনের পাশাপাশি মিশ্র অনুভূতিও থেকে যাবে খেলাপ্রেমীদের মনে।