চুলের যত্নের জগতে নতুন এক বিপ্লব ঘটাতে চায় কে১৮। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী সুভিন সাহিবের মতে, বর্তমানে কেশসেবা একটি নতুন অধ্যায়ে পা দিচ্ছে—যাকে তিনি ‘দীর্ঘায়ুর যুগ’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দৃষ্টিতে, আগামী দিনে সৌন্দর্য পণ্য নয়, বরং জৈবপ্রযুক্তি এবং কোষীয় পুনরুদ্ধারই হবে মূল চালিকাশক্তি।

সাহিব জানান, কে১৮ ইতিমধ্যেই চুলের গঠন মেরামতের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যেতে চায়। ফিউচারআইকিউ নামে একটি নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে তারা একটি সম্পূর্ণ নতুন পণ্য বিভাগ তৈরি করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছেন তিনি। এই প্রকল্পটি মূলত চুলের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ও তারুণ্য ধরে রাখার ওপর কেন্দ্রীভূত।

সিইওর বক্তব্যে উঠে এসেছে, ‘চুলের যত্ন’ এবং ‘স্কিনকেয়ার’-এর মধ্যে যে সাদৃশ্য রয়েছে, সেটি আরও গভীর হবে। যেমন ত্বকের যত্নে দীর্ঘায়ু ও পুনরুজ্জীবনের ধারণা এসেছে, তেমনই চুলের ক্ষেত্রেও সেই ধারা প্রযোজ্য হবে। সাহিব বলেন, ‘আমরা মনে করি ভবিষ্যৎ হলো জীববিজ্ঞানের, নিছক সৌন্দর্যের নয়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কে১৮-র বর্তমান সাফল্যের পেছনে রয়েছে চুলের প্রোটিন পুনর্গঠনের ওপর গভীর গবেষণা। ভবিষ্যতে ফিউচারআইকিউ সেই ধারাকে আরও প্রসারিত করবে। প্রতিষ্ঠানটি চায়, গ্রাহকেরা চুলের যত্নকে কেবল রূপচর্চা নয়, বরং স্বাস্থ্য রক্ষার একটি অংশ হিসেবে দেখুক।

এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই কসমেটিক শিল্পে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাহিবের মতে, এই নতুন পদ্ধতি শুধু পণ্য বিক্রি নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দিতে পারে। চুলের পুনরুজ্জীবন এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই এখন কে১৮-র প্রধান লক্ষ্য।