বলিউডের পরিচিত মুখ ইমতিয়াজ আলীর একমাত্র সন্তান ইদা আলী বাগদানের মাধ্যমে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন। ২৫ বছর বয়সী ইদা গত ১ জুলাই তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী কৃষ আগারওয়ালের কাছ থেকে প্রেমের প্রস্তাব পান। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর সবার সামনে নিয়ে আসা হয় ১২ জুলাই, যখন ইদা নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে কেবল একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়—‘হ্যাঁ’।
ইদা আলী শুধু ইমতিয়াজ আলীর মেয়ে হিসেবেই পরিচিত নন; বাবার মতো তিনিও চলচ্চিত্র নির্মাণকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার চ্যাপম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডজ কলেজ অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া আর্টস থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণে পড়াশোনা শেষ করেছেন তিনি। এখনো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে হাত না দিলেও বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও চিত্রনাট্য লেখার জন্যও তিনি আলোচিত।
ইদার মা প্রীতি আলী চলচ্চিত্রের বাইরে থাকলেও ইমতিয়াজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হলেও ইদাকে বড় করতে তাঁরা যৌথভাবে ভূমিকা রেখেছেন। ইমতিয়াজ আলী জানান, বাগদানের প্রস্তাব দেওয়ার আগে কৃষ তাঁর অনুমতি নিয়েছিলেন। তিনি এই ঘটনাকে জীবনের ‘সবচেয়ে বড় আনন্দের’ একটি বলে উল্লেখ করেন। তবে আপাতত বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
কৃষ আগারওয়াল নিজেকে আড়ালে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তিনি একজন উদ্যোক্তা এবং ‘দ্য কমন টেবিল’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। তাঁর পরিবারের হসপিটালিটি ও খাদ্য-পানীয় ব্যবসা রয়েছে। কৃষ ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতক সম্পন্ন করে পারিবারিক ব্যবসায় যুক্ত হন। ইদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের মাধ্যমেই কৃষ অধিক পরিচিতি পান। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত রাখা হয়েছে, যেখানে মাত্র ১২২ জন অনুসারী রয়েছেন।
নরওয়ের নির্জন লফোটেন দ্বীপপুঞ্জের ইত্রেসান্দ সমুদ্রসৈকতে এই বাগদান অনুষ্ঠিত হয়। অন্তত তিন বছর ধরে একসঙ্গে থাকার পর এই জুটি সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিলেন। বাগদানের ছবিতে ইদা, কৃষ ও ইমতিয়াজ আলীকে একসঙ্গে দেখা গেছে। ইমতিয়াজ আলী নিজেই এই খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এটি তাঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটি মুহূর্ত।




