জুলাই মাসের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে একটি আবেগঘন কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। কবিতাটিতে জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে আবু সাঈদের মায়ের বিলাপ, শহীদ ভাইদের রক্ত এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবিতার ভাষায় বলা হয়েছে, 'জুলাই জুলাই জুলাই আহা জুলাই শহীদ ভাই আবু সাঈদের মা কাঁদছে বাতাস ভারী তাই গোঙায় কে গো?'। এই লাইনগুলোর মাধ্যমে কবি জুলাই মাসের ত্যাগ ও বেদনাকে তুলে ধরেছেন।
কবিতাটিতে আরও বলা হয়েছে, 'পুরুষ এবং নারীর স্বরে যে বাংলাদেশ ডুকরে মরে আমরা কি তার সন্তানেরা উঠব না আর জেগে?'—এই অংশে বাংলাদেশের মানুষকে জাগরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বীরের রক্ত ছিটকে এসে পড়ার কথা উল্লেখ করে কবি বলেছেন, 'এই শরীর যেন লক্ষ জুলাই রক্তজুলাই স্বপ্নজুলাই দগ্ধজুলাই মাস'। এখানে জুলাই মাসকে রক্ত, স্বপ্ন ও দগ্ধতার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কবিতায় সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও ধ্বনিত হয়েছে। 'কে সন্ত্রাসী? কার সন্ত্রাস? কে খায় আমার হাঁস?'—এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে কবি সমাজের অসঙ্গতি ও অবিচারের প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন। শেষাংশে 'চাবুক মারো চাবুক মারো জুলাই জুলাই জুলাই আহা জুলাই আমার ভাই সেই জুলাইয়ের রক্ত আমি হৃদয়ভরে খাই'—এই লাইনটি জুলাই মাসের ত্যাগ ও রক্তের প্রতি গভীর অনুরাগ ও আত্মীয়তার বোধকে প্রকাশ করে।
পুরো কবিতাটি জুলাই মাসের শহীদদের স্মরণে একটি আবেগময় ও প্রতিবাদী উচ্চারণ, যা দেশপ্রেম ও ত্যাগের মর্মকে তুলে ধরেছে। কবিতাটির মাধ্যমে লেখক জুলাই মাসের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় করে রাখার প্রয়াস নিয়েছেন।




