রাজধানীর খিলগাঁও থানার নন্দিপাড়া এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ওই ব্যক্তির নাম খোরশেদ আলম সোহেল (৪৫), তিনি পশ্চিম নন্দিপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় ইট-বালু সরবরাহের কাজে যুক্ত। আজ রোববার দুপুরে তাকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আহত খোরশেদের স্ত্রী তারিন আক্তারের দাবি, তাঁর স্বামীকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, ইট-বালু সরবরাহের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক পক্ষের সঙ্গে তাঁর স্বামীর বিরোধ চলছিল। অতীতে প্রতিপক্ষ তাদের হুমকিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ। তারিন আক্তার আরও বলেন, এলাকার একটি পরিবারের সদস্যরা খোরশেদকে ফুসলিয়ে সেখানে নিয়ে যান এবং পিটুনি দেন। পরে তাঁর কাছে অস্ত্র দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে তার অভিযোগ।
অন্যদিকে, পুলিশের বরাতে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান শেখ বলেন, থানায় খবর আসে যে নন্দিপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে আটক করে পিটুনি দিচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। পুলিশ গিয়ে দেখে ৪০-৫০ জন লোক তাকে ঘিরে রেখেছেন এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর কাছ থেকে গুলিভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি পাওয়া গেছে। পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা অস্ত্র দুটি জব্দ করেন।
এএসআই ইমরান জানান, আহত খোরশেদের নামে খিলগাঁও থানায় পূর্বে কয়েকটি মামলা রয়েছে। পুরো ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখছেন বলে তিনি জানান। তদন্ত শেষেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে বলে মত তার।




