প্রায় সাড়ে চার দশক আগে নিজের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের পর ফের বিলবোর্ড ২০০-এর শীর্ষে ফিরেছেন ম্যাডোনা। বিলবোর্ড কর্তৃক সাপ্তাহিক প্রকাশিত এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক গ্রাসিত অ্যালবাম ও ইপি স্থান পায়। অতীতে শুধু বিক্রিই বিবেচিত হতো, বর্তমানে স্ট্রিমিং কার্যক্রমও অবস্থান নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। ‘কনফেশনস অন আ ড্যান্স ফ্লোর’-এর উত্তরসূরি ‘কনফেশনস টু’ ১৩৪ হাজার ইউনিট সমতুল্য বিক্রি নিয়ে এসেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ১৪ হাজারের বেশি সিডি, ভিনাইল ও ডিজিটাল ডাউনলোডের মাধ্যমে প্রকৃত ক্রয়। লুমিনেটের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র। এটিই ম্যাডোনার বিলবোর্ড ২০০-এ দশম নম্বর ওয়ান অ্যালবাম। ১৯৮৫ সালে ‘লাইক আ ভার্জিন’ দিয়ে প্রথম শীর্ষে ওঠেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ‘ম্যাডাম এক্স’ সপ্তম স্থান দখল করেছিল; সেটি মাত্র দুই সপ্তাহ টিকে ছিল। এবারের অ্যালবামটি দিয়ে ম্যাডোনা কেবল নিজের রেকর্ডই গড়লেন না, বরং কিংবদন্তি এলভিস প্রিসলির সঙ্গেও সমান হলেন। বিলবোর্ড ২০০-এর অর্ধশতকেরও বেশি ইতিহাসে যৌথভাবে দশম সর্বোচ্চ শীর্ষ অ্যালবামের অধিকারী এখন ম্যাডোনা ও প্রিসলি। অন্যদিকে মাত্র তিন জন নারী শিল্পী দ্বি-অঙ্কের শীর্ষ অ্যালবামের ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন। টেলর সুইফট ১৫টি নিয়ে সবার উপরে; সম্প্রতি ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ দিয়ে এই সংখ্যায় পৌঁছেছেন তিনি। বারবারা স্ট্রাইস্যান্ডের রয়েছে ১১টি। ম্যাডোনা এখন ঠিক স্ট্রাইস্যান্ডের পিছনে। সব শিল্পীর মধ্যে সুইফট ও ড্রেক যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (১৫টি), জে-জেড এক পিছনে। শীর্ষে বিটলসের ১৯টি শীর্ষ অ্যালবাম—তাদের হারানো সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এবারের অ্যালবামটি পাঁচটি বিলবোর্ড তালিকায় আত্মপ্রকাশ করেছে, যার মধ্যে চারটিতে শীর্ষস্থান দখল করেছে। শুধু টপ স্ট্রিমিং অ্যালবাম তালিকায় ৩২ নম্বরে এসেছে—এটি ম্যাডোনার ক্যারিয়ারের প্রথমবারের মতো সেই তালিকায় উপস্থিতি। ‘কনফেশনস টু’ বিলবোর্ড ২০০ ছাড়াও টপ অ্যালবাম সেলস, ভিনাইল অ্যালবাম ও টপ ড্যান্স অ্যালবাম তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। টপ অ্যালবাম সেলসে এটি তার নবম নম্বর ওয়ান; টপ ড্যান্স অ্যালবামে চতুর্থ; ভিনাইল অ্যালবামে দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান অর্জন করলেন পপ আইকন।