ঢাকার পূর্বাচলে অবস্থিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে, যা বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণ নামেও পরিচিত, আগামী ২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটি বড় আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেমস-গ্লোবাল ইউএসএর আয়োজনে ‘২৫তম টেক্সটাইল সিরিজ অব এক্সিবিশন্স– ২০২৬’ শীর্ষক এ চারদিনব্যাপী আয়োজন দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৩৭টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৭৫টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের জন্য মোট ২ হাজার ২৪৫টি বুথ ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কেবল ব্যবসায়িক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, চার দিনের এই আয়োজনে ব্যবসায়িক দর্শনার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজারের বেশি হবে।
এই প্রদর্শনীর বিশেষত্ব হলো, একই ছাদের নিচে তিনটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক এক্সপো একযোগে পরিচালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ২৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক শো ২০২৬ এবং ৫৩তম ডাই+কেম বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। এই তিনটি আয়োজনে টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল মেশিনারি, ইয়ার্ন, ফেব্রিক, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, ডাইস্টাফ, কেমিক্যালস ও আধুনিক প্রযুক্তিগত সমাধান প্রদর্শিত হবে। শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রবণতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে চারটি আন্তর্জাতিক সেমিনারেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এবারের আয়োজনে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন জোন’। এই বিশেষ জোনে ইআরপি, অটোমেশন, ক্লাউড সিস্টেম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইওটি এবং ডিজিটাল মেশিনারিসহ আধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদর্শন করা হবে। এটি শিল্পখাতের ডিজিটাল রূপান্তরের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বুধবার ঢাকার একটি তারকা হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ ও এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন ইসলাম, গ্রুপ সিইও এস এস সারওয়ার, নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম এবং গ্রুপ ডিরেক্টর অভিষেক দাস। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ জানায়, এ ধরনের বৃহৎ আন্তর্জাতিক আয়োজন দেশের টেক্সটাইল শিল্পের বৈশ্বিক সংযোগ জোরদার করতে এবং নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি করতে সহায়ক হবে।




