হাম ও হামের উপসর্গের কারণে দেশে আরও পাঁচ শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে ৯৬৯ জন শিশু হাম ও তার উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাম নিশ্চিত হয়েছে ৯০ শিশুর শরীরে।
মৃতদের মধ্যে একজন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি চারজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। হাম শনাক্ত হওয়া শিশুটি ঢাকায় মারা গেছে। অন্যদিকে, হামের উপসর্গে ঢাকায় দুইজন এবং সিলেট ও বরিশালে একজন করে শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৬৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯৪ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও তার উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫৮ জনে।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া শিশুর সংখ্যা এক লাখ ১১ হাজার ৪৮০ জনে পৌঁছেছে। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৫০০ শিশুর দেহে। সব মিলিয়ে হাম ও তার উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা এখন এক লাখ ২৪ হাজার ৯৮০।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৪৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে, এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৪৩ জন শিশু। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০ হাজার ৬০৫ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। হামের এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে টিকা কার্যক্রম জোরদারের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে টিকার ঘাটতি ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ঘাটতি উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।




