ডারউইনে চলমান টেস্টের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার লড়াই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগের দুই দিনের মতো এদিন বাংলাদেশের একক আধিপত্য ছিল না; স্বাগতিকরাও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। দুই দলের এই লড়াইয়ের নানা মুহূর্ত ধরা পড়েছে ক্যামেরায়।
ম্যাচের তৃতীয় দিনের শুরুতে পেসার হাসান মাহমুদকে দেখা যায় সাক্ষাৎকার দিতে। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। এই জুটি থেকে এসেছে ৪৬ রান। হাসান মাহমুদ ৯২ বলে ১৪ রান করেন, যা বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ছোট কিন্তু প্রয়োজনীয় সংযোজন।
বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলামের বোলিংয়েও ছিল নিখুঁত উপস্থাপনা। অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করার পর তাইজুলকে ঘিরে উদযাপনে মেতে ওঠেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও তানজিদ হাসান। তবে অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্সের সঙ্গে মিরাজের লড়াই ছিল চোখে পড়ার মতো। মিরাজ ৬৫ রানের ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে ২০০ রানের বেশি লিড এনে দেন। তার ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট ছিল, এমনকি কামিন্সের বাউন্সারেও তিনি পিছু হটেননি।
লাঞ্চের আগে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান তুলে মাঠ ছাড়েন মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। দুজনের মুখে ছিল হাসি, যা বাংলাদেশের শিবিরে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডার ট্রাভিস হেড মিরাজের ক্যাচ ফেলে দেন, যা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত হয়ে থাকে। স্টাম্পে বল লাগিয়ে বোল্ড হওয়ার পর হতাশ হয়ে স্টাম্পের বেল গুছিয়ে রাখতে দেখা যায় হেডকে।
বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমকে তাইজুলকে কিছু বলতে দেখা যায়; সম্ভবত দলের জয়ের জন্য আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছিলেন। দিনশেষে মাঠ ছাড়েন ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ। মাঠে একসঙ্গে দেখা যায় ক্রিকেটের তিন কিংবদন্তি—অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, মার্ক ওয়াহ ও অ্যালিসা হিলি—যা দিনটিকে বিশেষ করে তুলেছে।




