স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মাঠের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হন কেইনে ইয়ামাল। তিনি কোনো ফুটবলার বা কোচিং স্টাফের সদস্য নন, বরং স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামালের ছোট ভাই। প্রতিযোগিতাজুড়ে প্রচারমাধ্যমের আলোয় থাকা কেইনে ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে মাঠে ঘুরে নানা কাণ্ডকারখানায় মেতে ওঠেন।
প্রথমে দেখা যায়, বল পায়ে নিয়ে মাঠের এক কোণায় নিজের মতো করে ফুটবল খেলছেন কেইনে। তার খেলার ভঙ্গি দেখে বোঝা যায়, এই মঞ্চে নিজেও একদিন দাপিয়ে বেড়ানোর স্বপ্ন দেখেন তিনি। এরপর ভাই লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে যোগ দিয়ে জয় উদযাপনে অংশ নেন। লামিনের হাতে পদক দেখে কৌতূহলী কেইনে যেন পদকটি নিজের গলায় পরার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন।
মাঠের চারপাশে থাকা ফটোগ্রাফারদের ভিড় লক্ষ করা যায় কেইনের সামনে। প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতে ব্যস্ত ছিলেন তারা। এক পর্যায়ে নিউইয়র্ক পুলিশের একজন সদস্যের সঙ্গে কেইনের খুনসুঁটি দেখা যায়। পুলিশও পিছিয়ে ছিলেন না—মাথার ক্যাপ খুলে কেইনের মাথায় পরিয়ে দেন তিনি। অন্যরা তখন নিজেদের মতো ব্যস্ত থাকলেও কেইনের মন পড়েছিল ফাঁকা গোলপোস্ট আর ছেঁড়া জালে গোল দেওয়ার আনন্দে।
মাঠের এক প্রান্তে গোলের জাল কেটে নিচ্ছিলেন স্পেনের গোলরক্ষক মিকেল ওইয়ারসাবাল। সেই সময় কেইনেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ভাই এক পাশে থাকলেও অন্যপাশে বল নিয়ে নিজের মতো খেলে যাচ্ছিলেন কেইনে। বিশ্বকাপের মাঠে তার সমবয়সী কাউকে পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি, যার সঙ্গে খেলায় মেতে ওঠেন। শরীরের তুলনায় বলের আকার ছোট ছিল না, তবুও বল নিয়ন্ত্রণে পারদর্শিতা দেখান কেইনে। কার দিকে তাকিয়ে এত হাসি? সম্ভবত বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ আর মাঠের স্বাধীনতা তাকে উচ্ছ্বসিত করে তুলেছিল।
মাঠের প্রতিটি কোণে কেইনের উপস্থিতি যেন ফাইনালের আরেকটি গল্প হয়ে রইল। তার মজার সব মুহূর্ত ছবিতে ধরা পড়েছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের মনে দাগ কাটবে।




