ফিলিপাইনের শীর্ষস্থানীয় ফাস্ট ফুড চেইন জলিবি তাদের আন্তর্জাতিক শাখার জন্য বিদেশি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। কোম্পানিটির এই সিদ্ধান্ত আসছে তাদের বৈশ্বিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, যা ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি জলিবির আগ্রাসী সম্প্রসারণ কৌশলের জেরে কোম্পানির শেয়ারের দামে চাপ পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠাতা টনি ট্যান ও তার পরিবারের মোট সম্পদের ওপর। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্যান পরিবারের সম্মিলিত সম্পদ প্রায় ৩৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। জলিবি কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্তির স্থান ও সময় নির্ধারণ করেনি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করে তাদের বৈশ্বিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে চাইবে। ফিলিপাইনের বাজারে শক্ত অবস্থান থাকা সত্ত্বেও জলিবি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছে। এই সম্প্রসারণের জন্য বিপুল পরিমাণ পুঁজির প্রয়োজন হওয়ায় বিদেশি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কোম্পানিটির এই সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। যদিও দীর্ঘমেয়াদে এই পদক্ষেপ লাভজনক হতে পারে, তবে স্বল্পমেয়াদে শেয়ারদরে অস্থিরতা থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করছেন। জলিবির আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় আরও রয়েছে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ায় নতুন আউটলেট খোলা এবং স্থানীয় বাজারের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য মেনুতে পরিবর্তন আনা।
আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে বিদেশে তালিকাভুক্তির পথে ফিলিপাইনের ফাস্ট ফুড জায়ান্ট জলিবি
ফিলিপাইনের জনপ্রিয় ফাস্ট ফুড ব্র্যান্ড জলিবি তাদের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের জন্য বিদেশি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছে। সম্প্রতি কোম্পানিটির আক্রমণাত্মক সম্প্রসারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলায় প্রতিষ্ঠাতা ট্যান পরিবারের সম্পদ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।




