অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজকে ঘিরে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, দলের মূল লক্ষ্য হবে পাঁচ দিনই ধারাবাহিকভাবে ভালো ক্রিকেট খেলা। বুধবার ডারউইনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রতিটি সেশনকে গুরুত্ব দিয়ে খেলতে চান তারা। ম্যাচের ফলাফল নিয়ে ভাবার চেয়ে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার দিকেই নজর থাকবে।
চোট থেকে সেরে উঠা লিটন দাসকে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল জানান, তিনি এখন পুরোপুরি ফিট। প্রস্তুতি ম্যাচে না খেললেও টেস্টে তার খেলা নিয়ে আর কোনো উদ্বেগ নেই। তার ফেরা দলের ব্যাটিং লাইনআপে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেও মন্তব্য করেন অধিনায়ক।
২০০৩ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের এই সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে মারারা স্টেডিয়ামে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, এই ম্যাচের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মূল লড়াইয়ে ভালো করা সম্ভব।
নাজমুল বলেন, কারও জন্য আলাদা করে প্রেরণা যোগানোর প্রয়োজন নেই। বড় স্কোর করা, উইকেট নেওয়া কিংবা দল হিসেবে ভালো করা—এই বিষয়গুলো দলের প্রতিটি সদস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দলের ভবিষ্যতের জন্যও এই সিরিজ ভালো করার বিকল্প নেই। দলের সবার মাঝে ভালো করার আগ্রহ এবং আত্মবিশ্বাস রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশন বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এখানকার উইকেটে পেসারদের সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মারারা স্টেডিয়ামে ড্রপ ইন পিচ ব্যবহার করা হবে। এমন পিচে ব্যাটিংয়ের কৌশল সম্পর্কে নাজমুল বলেন, নতুন বলে প্রতিটি জায়গায় চ্যালেঞ্জ থাকে, তবে এখানে তা হয়তো একটু বেশি। ব্যাটারদের নিজেদের সহজাত খেলাটা খেলতে হবে এবং রানের দিকেই নজর রাখতে হবে।
বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে সফল হতে হলে দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ বজায় রাখা জরুরি। তাদের বোলারদের মোকাবিলা করতে আরও বেশি মনোযোগ ও ভালো পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে দলের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আশাবাদী নাজমুল।




